বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতিতে সফলতার গল্প

সময়: 9:47 am - January 12, 2025 | | পঠিত হয়েছে: 130 বার

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতিতে সফলতার গল্প

বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যাত্রাপথ কখনোই সহজ নয়। এই পথজুড়ে থাকে নানা চ্যালেঞ্জ, ত্যাগ আর কঠোর পরিশ্রম। তবে সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য্য ও নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে সফলতার দরজা খুলে যায়।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার লক্ষ্যটা সহজ ছিল না। প্রতিটি ধাপেই ছিল কষ্ট আর ত্যাগ। কিন্তু প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে এগিয়ে গিয়েছি। ধাপে ধাপে পরিকল্পনা সাজিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কারণেই শেষমেশ স্বপ্নপূরণ সম্ভব হয়েছে।প্রস্তুতির মূল ভিত্তি ছিল প্রশ্নব্যাংক বিশ্লেষণ। বিগত বছরের প্রশ্নগুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করতাম। পরে সেগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করতাম—‘সর্বোচ্চ’, ‘মাঝারি’ ও ‘কম গুরুত্বপূর্ণ’। জানা বিষয়গুলোর চেয়ে দুর্বল জায়গাগুলোর ওপর বেশি মনোযোগ দিয়েছি। এতে সময় যেমন বাঁচত, তেমনি চাপও কমেছে। প্রতিদিন ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করে এগিয়ে যাওয়ায় পড়ার গতি বাড়ত।সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি ছিল রিভিশন। নতুন কিছু শেখার চেয়ে পুরোনো বিষয়গুলো বারবার রিভিশন দিয়েছি। মডেল টেস্ট দিয়ে সময় ব্যবস্থাপনা এবং ভুল বিশ্লেষণের অভ্যাস গড়ে তুলি। প্রতিটি ভুল লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করতাম এবং বারবার সেগুলো পড়তাম। এতে করে একই ভুল পুনরাবৃত্তি হতো না।প্রস্তুতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল অফলাইন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া। এটি পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা ও চাপ সামলানোর কৌশল গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। প্রতিটি পরীক্ষার ভুল বিশ্লেষণ করে তা সংশোধন করতাম। এতে আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়ত, তেমনি পরীক্ষাভীতি দূর হতো।তীব্র চাপ বা হতাশা আসলে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতাম। তাদের আশ্বাস আর অনুপ্রেরণার কথাগুলো আমাকে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করত। বড় ভাইয়েরা বলতেন, ‘তোমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করো, বাকিটা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দাও।’বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি এক দীর্ঘ যাত্রা, যেখানে কঠোর পরিশ্রম, সঠিক কৌশল এবং মানসিক স্থিতিশীলতা সাফল্যের চাবিকাঠি। সঠিক পরিকল্পনায় এগিয়ে গেলে যে কেউ নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর